জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ যে পদ্ধতিতে কোনো অর্থনৈতিক বা শারীরবৃত্তীয় গুণের অধিকারী জীবের প্রোটোপ্লাজমযুক্ত উন্নত কোশকে কোনো নিম্নশ্রেণির জীবের উন্নতি ঘটানোর জন্য সংরক্ষিত করা হয়, তাকে জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ বলে। ইংরেজি পরিভাষায় একে কনজারভেশন অব জার্মপ্লাজম (Conservation of Germplasm) বলা ...
Continue readingচিরাচরিত পদ্ধতিতে বনসৃজন ও সামাজিক বনসৃজনের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?
চিরাচরিত পদ্ধতিতে বনসৃজন ও সামাজিক বনসৃজনের মধ্যে পার্থক্য চিরাচরিত পদ্ধতিতে বনসৃজন ও সামাজিক বনসৃজনের মধ্যে উদ্দেশ্য ও পদ্ধতিগত কিছু প্রভেদ রয়েছে। যেমন—
Continue readingকৃষি বনসৃজনের উপযুক্ত গাছগুলি কী কী?
কৃষি বনসৃজনের উপযুক্ত গাছ জমির অবস্থান অনুসারে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো যায়, যেমন,(১) জমির বিস্তৃত আল, ঘের বা বাঁধ বরাবর সুবাবুল, ইউক্যালিপটাস, সোনাঝুরি, আকাশমণি, নিম, সুপারি, তাল প্রভৃতি।(২) বাগানে কলা, লেবু, কুল, কাঁঠাল, আম, নারকেল, জাম, ফলসা, ...
Continue readingকৃষি বনসৃজনের উপযুক্ত জায়গা কী কী?
কৃষি বনসৃজনের উপযুক্ত জায়গা কৃষিজমির আল, আইল বা ঘের বরাবর কৃষি বনভূমি সৃজন করা যায়। চা বাগানের মধ্যে ছায়া প্রদায়ী গাছ লাগানো যায়। এ ছাড়া, পতিত জমি বা বাড়ির সীমানা বরাবর বা বাড়ির পিছনের ফাঁকা জমিতেও কৃষি-বনসৃজন ...
Continue readingকৃষি বনসৃজনের প্রকৃতি কী?
কৃষি বনসৃজনের প্রকৃতি কৃষি বনসৃজন বহু উদ্দেশ্যসাধক (multipurpose) প্রকল্প। বনভূমিকে রক্ষা করা, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখা, কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা, সম্পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা সংযোজন করা ইত্যাদি নানা সুবিধার কথা ভেবেই, কৃষি বনসৃজন প্রকল্পের শুরু। এই ...
Continue readingকৃষি বনসৃজন কাকে বলে? কৃষি বনসৃজনের সুবিধা ও অসুবিধা কী কী?
কৃষি বনসৃজন বা অ্যাগ্রো ফরেস্ট্রি বা কৃষি অরণ্য FAO, - 1980 র মত অনুসারে কৃষকের নিজের অধিকারভুক্ত কৃষি বা জমিতে কৃষিফসল উৎপাদনের পাশাপাশি কাঠ, সবুজ সার, ওষুধ, ছায়া, ফলমূল ইত্যাদি আহরণের জন্য গাছপালা লাগিয়ে যে বনভূমি গড়ে ...
Continue readingবনসম্পদ সংরক্ষণ করার উপায় কী বা বনভূমির হ্রাস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়গুলি কী কী?
বনভূমির হ্রাস নিয়ন্ত্রণ বা বনসম্পদ সংরক্ষণ বনসম্পদ সংরক্ষণ করা ও বনভূমির হ্রাস নিয়ন্ত্রণ করার প্রধান উপায়গুলি হল- বনসৃজন চিরাচরিত বা উন্নত পদ্ধতিতে বনভূমি সৃষ্টি করে, বৃক্ষরোপণ করে বনসম্পদের জোগান অব্যাহত রাখা যায়। যেমন— যৌথ বন ব্যবস্থাপনা (Joint ...
Continue readingপশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্ষেপে আলোচনা কর।
বিভিন্ন ঋতুতে পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হল এই যে :(১) সাধারণভাবে পশ্চিমবঙ্গ গ্রীষ্মপ্রধান উষ্ণ মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।(২) ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, এই তিনটি শীতের মাস বাদ দিলে সারা বছরই পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা ...
Continue readingপশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চলের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি?
পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চলের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য (১) একমাত্র শিলিগুড়ি মহকুমা বাদে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার বাকি অংশ হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলের অন্তর্গত।(২) দার্জিলিং জেলার পার্বত্য অংশে পশ্চিমবঙ্গের সমতলভূমির তুলনায় তাপমাত্রা অনেক কম।(৩) গ্রীষ্ণকালের অসহ্য গরমে বাকি পশ্চিমবঙ্গ যখন হাঁসফাস করছে, ...
Continue readingপ্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি আলোচনা করো।
প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের সুবিধা ও অসুবিধা গণতন্ত্র হল জনগণের শাসন। জনগণের শাসন প্রকৃত অর্থে জনগণের হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলতে এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে জনগণ সরাসরি শাসনকার্য পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। প্রাচীন গ্রিস ও ...
Continue reading